প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ইউপি সদস্য রওশন

সিলেট বিডি নিউজ.নেট
প্রকাশিত ২৯, ডিসেম্বর, ২০২১, বুধবার

গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২১ইং তারিখের বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও জুড়ী সময় নিউজ প্রকাশ হয়
জুড়ীতে পিটিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রের হাত ভেঙ্গে দিলেন ইউপি সদস্য রওশন
, শীর্ষ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সাংবাদিকতা পেশায় আমি একজন পেশাদার সংবাদকর্মী।ও ফুলতলা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য পেশায় আমার বৈধ পরিচয় পত্র আছে এবং সুনামের সাথে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। তা ছাড়া সামাজিক ভাবে এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে আমার সম্পৃক্ততা থাকায় সুনাম আছে। করেছি। আমার এ সুনামে একটি কুচক্রীমহল আমার বিরুদ্ধে ওঠে পড়ে লেগেছে। আমি এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই

জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়ন এর ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাহবুব আলম রওশন এর উপর মিথ্যা বনায়োট ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা অভিযোগ রটানো হয়।সরজমিনে গেলে ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে এমদাদুল ইসলাম অনিক।তারা মিয়া।ইসলাম উদ্দিন।সেলিনা বেগম,মায়া বেগম,এর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য
২৭ডিসেম্বর মাহবুব আলম রওশন এর বাড়ির সংলগ্ন স্থানে
ব্যাটমিন্টন খেলা নিয়ে ফাহিম আহমদ(পিতা মাহবুব আলম রওশন) মারধর করে সুলতান মিয়ার পুত্র জাবেদ।খবর পেয়ে এই এলাকার তেরা মিয়া। ইসলাম উদ্দিন। অনিক মিয়াসহ আরও অনেকে এগিয়ে আসেন এই সময়

উভয়ের মাঝে বেশ সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে, সুলতান মিয়ার স্ত্রী ও ছেলের সাথে কথা কাটা কাটিতে ছিলেন উভয় পক্ষ গিয়াস মিয়ার
দোকানের সম্মুখে তখন রাত প্রায় ১০টা হবে। আশে পাশের অনেক মানুষ ছিলেন।হটাৎ করে সুলতান মিয়া ও
আছমা বেগম এর পুত্র সামাদ একটি কাঠের বেন্দা দিয়ে
মেম্বারের পিছন দিকে আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় হায়দর মিয়ার বাড়ির সামনে কাঠাল গাছের উপর পরে
গিয়ে আঘাত প্রাপ্ত হয়।তখন তার হাতের পড়ে থাকা বেন্দা প্রত্যক্ষ দর্শীরা এনে (রওশন)সাহেব এর বাড়িতে
রাখা হয়েছে। স্বাক্ষীঃ এমদাদুল ইসলাম অনিক। তারা মিয়া।ইসলাম উদ্দিন। সেলিনা বেগম। মায়া বেগম।
পাশের অনেক মানুষ ছিলেন।হটাৎ করে সুলতান মিয়া ও
আছমা বেগম এর পুত্র সামাদ একটি কাঠের বেন্দা দিয়ে
মেম্বারের পিছন দিকে আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় হায়দর মিয়ার বাড়ির সামনে কাঠাল গাছের উপর পরে
গিয়ে আঘাত প্রাপ্ত হয়।তখন তার হাতের পড়ে থাকা বেন্দা প্রত্যক্ষ দর্শীরা এনে (রওশন)সাহেব এর বাড়িতে
রাখা হয়েছে। স্বাক্ষীঃ এমদাদুল ইসলাম অনিক। তারা মিয়া।ইসলাম উদ্দিন। সেলিনা বেগম। মায়া বেগম।

সহ আরও অনেকে বলেন ইউপি সদস্য রওশন তখনকার সময়ের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কাউকে মারতে দেখেন নি ছেলে আগাত করে পালানোর সময় আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে।

 34 total views

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন
error: Content is protected !!